প্রসাদ প্রদীপ

সেদিন বড়মার কাছে এক নতুন ধরনের প্রদীপের রেসিপি শিখলাম।বড়মার কালীপূজার দিন এই প্রদীপটি বানান।তা প্রদীপটি দেখে আমি প্রথমে চমকেই গেছিলাম একে প্রদীপ তাও আবার পূজার থালায় দেবার পর খাওয়া হয় প্রসাদ হিসাবে ।
তখন বড়মা জানাল মূলত এটি বানান হয় কার্তিক পূর্ণিমার দিন। এবং নৈবদ্য রূপে দেবার পর এটি খাওয়া হয়। এহা এক বিশেষ ধরনের প্রদীপ যা MAAVILLAKU নামে পরিচিত।
এহার প্রধান উপাদান চালের আটা ও গুড়।যা কলা পাতায় রেখে মাঝখানে ঘি দেওয়া হয়। এবং তুলো দিয়ে সলতে বানিয়ে রাখা হয়।তারপর চারধারে কুমকুম ও ফুল দিয়ে ভগবান কে উৎসর্গ করা হয়।এরপর ইহা প্রসাদ হিসাবে খাওয়া হয়।
এখানে Maa হিসাবে বোঝান হয় সেই মিশ্রন যা দিয়ে ইহা তৈরী হয়।এবং Villaku বলতে বোঝায় প্রদীপটি কে।
এই গল্পটা শুনে আমার প্রদীপটি কে খাবার জন্য যখন মনটা আনচান করে উঠেছিল।তখন বড়মা জানাল চালের গুড়ো প্রথমে ২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে শুকাতে হবে ।তারপর মিক্সিতে গুড়,ও এলাচ দিয়ে পেস্ট বানাতে হবে তারপর বড়মা এর সাথে সামান্য ক্ষীর দিয়ে মন্ড বানিয়ে প্রদীপের আকৃতি দিয়েছে। বড়মা এর সাথে ক্ষীর সামান্য পরিমানে মিশ্রিত করেছে স্বাদ অানার জন্য ।
পূজার পর বড়মা যখন এটি দিল খেতে তখন সলতে,ঘি এর সাথে আগুনের পোড়া গন্ধে এর স্বাদ এক অদ্ভুদ রকম হয়েছিল।বড়মাকে আরেকদিন খাওয়াবার আবদার করলে বড়মা জানায় এটি পূজার দিন ই বানান হয় বলে এর এইরকম অভূতপূর্ব স্বাদ হয়।তাই এক বছর অপেক্ষা করতে।আমি তারই অপেক্ষায় রইলাম।
প্রসাদ প্রদীপ
সেদিন বড়মার কাছে এক নতুন ধরনের প্রদীপের রেসিপি শিখলাম।বড়মার কালীপূজার দিন এই প্রদীপটি বানান।তা প্রদীপটি দেখে আমি প্রথমে চমকেই গেছিলাম একে প্রদীপ তাও আবার পূজার থালায় দেবার পর খাওয়া হয় প্রসাদ হিসাবে ।
তখন বড়মা জানাল মূলত এটি বানান হয় কার্তিক পূর্ণিমার দিন। এবং নৈবদ্য রূপে দেবার পর এটি খাওয়া হয়। এহা এক বিশেষ ধরনের প্রদীপ যা MAAVILLAKU নামে পরিচিত।
এহার প্রধান উপাদান চালের আটা ও গুড়।যা কলা পাতায় রেখে মাঝখানে ঘি দেওয়া হয়। এবং তুলো দিয়ে সলতে বানিয়ে রাখা হয়।তারপর চারধারে কুমকুম ও ফুল দিয়ে ভগবান কে উৎসর্গ করা হয়।এরপর ইহা প্রসাদ হিসাবে খাওয়া হয়।
এখানে Maa হিসাবে বোঝান হয় সেই মিশ্রন যা দিয়ে ইহা তৈরী হয়।এবং Villaku বলতে বোঝায় প্রদীপটি কে।
এই গল্পটা শুনে আমার প্রদীপটি কে খাবার জন্য যখন মনটা আনচান করে উঠেছিল।তখন বড়মা জানাল চালের গুড়ো প্রথমে ২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে শুকাতে হবে ।তারপর মিক্সিতে গুড়,ও এলাচ দিয়ে পেস্ট বানাতে হবে তারপর বড়মা এর সাথে সামান্য ক্ষীর দিয়ে মন্ড বানিয়ে প্রদীপের আকৃতি দিয়েছে। বড়মা এর সাথে ক্ষীর সামান্য পরিমানে মিশ্রিত করেছে স্বাদ অানার জন্য ।
পূজার পর বড়মা যখন এটি দিল খেতে তখন সলতে,ঘি এর সাথে আগুনের পোড়া গন্ধে এর স্বাদ এক অদ্ভুদ রকম হয়েছিল।বড়মাকে আরেকদিন খাওয়াবার আবদার করলে বড়মা জানায় এটি পূজার দিন ই বানান হয় বলে এর এইরকম অভূতপূর্ব স্বাদ হয়।তাই এক বছর অপেক্ষা করতে।আমি তারই অপেক্ষায় রইলাম।
রান্নার নির্দেশ সমূহ
- 1
২ ঘন্টা ধরে চাল ভেজাতে হবে।কটন / সুতির কাপড়ে চাল শুকোতে দিতে হবে এবং ইহা হবে ৩০ মিনিট ধরে।
- 2
৩০ মিনিট পর দেখা যাবে চাল শুকিয়ে গেছে এরপর মিক্সিতে দিতে হবে। এই গুঁড়োটাকে নিয়ে চালুনিতে দিতে হবে।এরপর গুড় মিশাতে হবে চালের গুড়োর সাথে। এবং মিক্সিতে দিতে হবে।
চালের গুঁড়ো তারপর গুড় তারপর আবার চালের গুঁড়ো দিয়ে মিক্সি চালাতে হবে।এরপর আবার গুড় দিয়ে মিক্সি চালিয়ে মিশ্রন টিকে মিহি করে।শেষ বারের মত গুড় নিয়ে মিক্সিতে গুঁড়ো করে একটা পাত্রে নিতে হবে। - 3
এরপর মন্ড তৈরী করে প্রদীপের আকৃতি দিতে হবে,ঘি দিয়ে মধ্যেখানে সলতে দিয়ে প্রদীপ জ্বালাতে হবে
Similar Recipes
More Recipes



মন্তব্যগুলি