ইলিশ পাতুরি

আব্বু আম্মু আর দুই ভাই এর সাথে
একদিনের মধুময় ঘটনা বলছি..আমরা তখন খুব ছোট।খুব ধুম বৃষ্টি হচ্ছে, অনবরত বৃষ্টি লেগেই আছে,বাড়ির বাইরে বেড় হয়া যাচ্ছিলনা।সাথে ঝড়ো হাওয়া।তাই আব্বু বাসা থেকে বেড় হচ্ছিলেননা ।আব্বু বাসায় থাকায় খুব মজা লাগছিলো আমাদের,তার উপর ঝুম বৃষ্টি।
এর মধ্যে ফ্রীজে মোটামোটি সব বাজার শেষ।হঠাৎ আম্মু বললো,আজ ডাল ভর্তা ছাড়া উপায় নেই।....
এই কথাটা শুনে আব্বু সহ আমাদের মনটাই খারাপ হয়ে গেল।কারণ কিছুক্ষণ আগেই আব্বু আমাদের ইলিশ মাছের গল্প বলছিলেন।গ্ৰামে ছোটবেলায় ঝুম বৃষ্টির দিনে মুচমুচে ইলিশ ভাজা খাওয়ার গল্প।যাইহোক,আব্বু আম্মু কে বললো. ভর্তা ডাল না..আজ আমরা ইলিশ মাছ খাবো!।আম্মু শুনে হাসছিলো,এই বৃষ্টির সময়,রাস্তায় গলা প্রায় পানি উঠেছে এর মধ্যে ইলিশকোথায় পাবে?
আব্বূ কথাটা শুনে চিন্তায় পড়ে গেলো।আসলেই তো।তখনতো আর অনলাইনে অর্ডার করে খাবার আনা যেতোনা।
আমরা তিন ভাই বোন খুব মনখারাপ করলাম,আর ভাবছিলাম ইশ একটা ইলিশ মাছ যদি পানি তে ভেসে আমাদের বাসায় চলে আসতো??!!এরকম ভাবতেই,. হঠাৎ এক মাছ ওয়ালা ইলিশ মাছ বলতে বলতে যাচ্ছিলো,আব্বু বাড়ান্দা দিয়ে ডাকলো,বললো উপড়ে আসো,মাছ ওয়ালা এই ঝুম বৃষ্টি তে ভিজে উপড়ে এলো,আর তার কাছে ২টা ইলিশ মাছ ছিলো, অনেক দাম চাইলো,আব্বু সেই অনেক দামেই মাছ গুলো কিনে নিলো আর আম্মু কে বললো বাচ্চাদের খুশি ই আমাদের সব।
তিথির আম্মু প্লিস মাছ গুলো একটু পেঁয়াজ দিয়ে ভুনা করো আর একটু খিচুড়ি করো।
আম্মু একটু দেরি হলেও সব রেডি করে
ওফেললো,আর আমরা কি আয়েশ করে ফুর্তি করে খেলাম।...আলহামদুলিল্লাহ।
এতো ভালোবাসা,এতো আহ্লাদ,আবদার বাবা মা ছাড়া কে দিবে এই দুনিয়ায়।♥️
ইলিশ পাতুরি
আব্বু আম্মু আর দুই ভাই এর সাথে
একদিনের মধুময় ঘটনা বলছি..আমরা তখন খুব ছোট।খুব ধুম বৃষ্টি হচ্ছে, অনবরত বৃষ্টি লেগেই আছে,বাড়ির বাইরে বেড় হয়া যাচ্ছিলনা।সাথে ঝড়ো হাওয়া।তাই আব্বু বাসা থেকে বেড় হচ্ছিলেননা ।আব্বু বাসায় থাকায় খুব মজা লাগছিলো আমাদের,তার উপর ঝুম বৃষ্টি।
এর মধ্যে ফ্রীজে মোটামোটি সব বাজার শেষ।হঠাৎ আম্মু বললো,আজ ডাল ভর্তা ছাড়া উপায় নেই।....
এই কথাটা শুনে আব্বু সহ আমাদের মনটাই খারাপ হয়ে গেল।কারণ কিছুক্ষণ আগেই আব্বু আমাদের ইলিশ মাছের গল্প বলছিলেন।গ্ৰামে ছোটবেলায় ঝুম বৃষ্টির দিনে মুচমুচে ইলিশ ভাজা খাওয়ার গল্প।যাইহোক,আব্বু আম্মু কে বললো. ভর্তা ডাল না..আজ আমরা ইলিশ মাছ খাবো!।আম্মু শুনে হাসছিলো,এই বৃষ্টির সময়,রাস্তায় গলা প্রায় পানি উঠেছে এর মধ্যে ইলিশকোথায় পাবে?
আব্বূ কথাটা শুনে চিন্তায় পড়ে গেলো।আসলেই তো।তখনতো আর অনলাইনে অর্ডার করে খাবার আনা যেতোনা।
আমরা তিন ভাই বোন খুব মনখারাপ করলাম,আর ভাবছিলাম ইশ একটা ইলিশ মাছ যদি পানি তে ভেসে আমাদের বাসায় চলে আসতো??!!এরকম ভাবতেই,. হঠাৎ এক মাছ ওয়ালা ইলিশ মাছ বলতে বলতে যাচ্ছিলো,আব্বু বাড়ান্দা দিয়ে ডাকলো,বললো উপড়ে আসো,মাছ ওয়ালা এই ঝুম বৃষ্টি তে ভিজে উপড়ে এলো,আর তার কাছে ২টা ইলিশ মাছ ছিলো, অনেক দাম চাইলো,আব্বু সেই অনেক দামেই মাছ গুলো কিনে নিলো আর আম্মু কে বললো বাচ্চাদের খুশি ই আমাদের সব।
তিথির আম্মু প্লিস মাছ গুলো একটু পেঁয়াজ দিয়ে ভুনা করো আর একটু খিচুড়ি করো।
আম্মু একটু দেরি হলেও সব রেডি করে
ওফেললো,আর আমরা কি আয়েশ করে ফুর্তি করে খেলাম।...আলহামদুলিল্লাহ।
এতো ভালোবাসা,এতো আহ্লাদ,আবদার বাবা মা ছাড়া কে দিবে এই দুনিয়ায়।♥️
রান্নার নির্দেশ
- 1
প্রথমে মাছ গুলো ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিবো। এবং এর মধ্যে সামান্য লবণ ও হলুদ গুঁড়া দিয়ে মাছ গুলো মেখে সামান্য তেলে হালকা এপিঠ ওপিঠ করে ভেজে নিবো,তাতে রান্নার পর মাছের সেইপ ঠিক থাকে। কিন্তু মাছ বেশি ভাজা যাবেনা,তাহলে ইলিশ মাছের তেল আসল গন্ধ তা নষ্ট হয়ে যাবে।
- 2
এবারে একটি হাঁড়িতে পরিমাণ মতো সয়াবিন তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি হালকা ভেজে সামান্য পানি দিয়ে হলুদ গুঁড়া, লাল মরিচের গুঁড়া, রসুন বাটা ও স্বাদ মতো লবণ দিয়ে মসলা টা লো আঁচে কষিয়ে নিবো ২ মিনিট।মসলা কষে গেলেই হালকা ভেজে রাখা মাছ গুলো দিয়ে দিবো, এবং সামান্য পানি দিয়ে দিবো এবং ঢাকনা দিয়ে ১০ মিনিট লো মিডিয়াম আঁচে রান্না করবো।
- 3
১০ মিনিট পর ঢাকনা তুলে মাছ গুলো খুব সাবধানে উল্টে দিবো এবং কাঁচামরিচ ফালি ছড়িয়ে দিয়ে আবারো ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ১০ মিনিট রান্না করবো লো আঁচে।
- 4
১০ মিনিট পর ঢাকনা তুলে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে ১ মিনিট রেখে নামিয়ে পরিবেশন করবো প্রিয় মানুষদের প্রিয় খাবার ইলিশ মাছের পাতুরি। ধন্যবাদ।
Keywords
Similar Recipes
More Recipes




মন্তব্যগুলি (2)