কাঁচা আমের ভর্তা

বাংলার গ্রামে ও শহরে বসন্ত ও শরৎকালে, বিশেষ করে বৈশাখ-আষাঢ় মাসে কচি আমের ভরতা খাওয়ার একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য আছে। এটিকে অনেক সময় "শরতের স্বাদ" বলা হয়। পূর্বে গ্রামে কৃষকরা মাঠের কাজ শেষে বা দুপুরের খাবারে কচি আমের ভরতা, ভাত ও জিলাপির সাথে খাওয়া ছিল। এছাড়াও, এটি বাঙালির ঐতিহ্যবাহী "ভরতা" শ্রেণির অন্যতম জনপ্রিয় খাবার, যা মাঝারি বয়সীরা বাচ্চাদের জন্যও পছন্দ করেন। এটি মূলত একটি "হালকা ও ঋতুসম্মত" খাবার হিসেবে পরিচিত।
কাঁচা আমে ভিটামিন সি-এর পরিমাণ অত্যন্ত বেশি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বকের জন্য ভালো। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা হজমশক্তি ঠিক রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
কাঁচা আমের ভর্তা
বাংলার গ্রামে ও শহরে বসন্ত ও শরৎকালে, বিশেষ করে বৈশাখ-আষাঢ় মাসে কচি আমের ভরতা খাওয়ার একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য আছে। এটিকে অনেক সময় "শরতের স্বাদ" বলা হয়। পূর্বে গ্রামে কৃষকরা মাঠের কাজ শেষে বা দুপুরের খাবারে কচি আমের ভরতা, ভাত ও জিলাপির সাথে খাওয়া ছিল। এছাড়াও, এটি বাঙালির ঐতিহ্যবাহী "ভরতা" শ্রেণির অন্যতম জনপ্রিয় খাবার, যা মাঝারি বয়সীরা বাচ্চাদের জন্যও পছন্দ করেন। এটি মূলত একটি "হালকা ও ঋতুসম্মত" খাবার হিসেবে পরিচিত।
কাঁচা আমে ভিটামিন সি-এর পরিমাণ অত্যন্ত বেশি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বকের জন্য ভালো। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা হজমশক্তি ঠিক রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
রান্নার নির্দেশ
- 1
কাঁচা আম ভালো করে ধুয়ে খোসহীন করে কুচি করে কেটে নিন। আমের টুকরোগুলো যেন খুব ছোট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
- 2
একটি বাটিতে কাঁচা আমের কুচিগুলো নিন। এতে বিট লবণ, স্বাদমতো লবণ, শুকনো মরিচ গুঁড়া এবং প্রাণ কাশুন্দী দিন।
- 3
এখন একটি শক্ত কাঁটাচামচ বা বাটার নাইফ দিয়ে আমের কুচিগুলোকে চাপ দিয়ে ভেঙে নিন। আমগুলো যেন একটু পিষে যায় কিন্তু সম্পূর্ণ পেস্ট হয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। এতে আমের টক স্বাদ ও মশলার ঘ্রাণ ভালোভাবে মিশে যাবে।
- 4
শেষে একটু চিনি ছিটিয়ে দিতে পারেন।
Keywords
Similar Recipes
More Recipes



মন্তব্যগুলি