গুন্ডরুক

একটা কাজের সূত্রেই সেদিন সেজ মামীর বাড়ি যাওয়া। গিয়ে একদিকে আমার ভালোই হলো উপরি পাওনা হিসাবে গরম কালের উপযোগী একটি নতুন আচারের সন্ধান পেলাম।
কথাবার্তা বলতে বলতে মামী বললেন আসলি যখন তখন ঘরের তৈরী তোর ভাইদের প্রিয় আচার একবার টেস্ট করেযা।তা আচারের নাম শুনে সেই মূহূর্তে আমি না করতে পারলাম না।তা প্লেটে করে যখন সেই লোভনীয় পদটি আমার সামনে আনল তখন দেখলাম আমি যে সকল আচার এর পূর্বে টেস্ট করেছি।সেগুলির কোন গোত্রে এটি পড়েনা।মামীকে বাধ্য হয়ে বললাম এটা কী গো?তা মামী যখন এহার বৃতান্ত বলল তার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এটাই যে
ইহার নাম গুন্ডরুক।এই নামটি মনে হয় নেপালীদেরই দেওয়া।নেপালীদের এটি জনপ্রিয় পদ হলেও বাংলায় কিছু কিছু ঘরে এটি আজও বানান হয়। আমি হেসে বললাম যেমন তুমি বানাও।মামী মুচকি হেসে বলল সাধারনত ইহা যে কোন পাতা বা শাক দিয়েই গুন্ডরুক বানান যায়।মামী যদিও সর্ষে শাক দিয়ে সেদিন বানিয়েছিল তবে এটি বাঁধাকপি,মূলোশাক দিয়েও বানান হয়।
শাক সবজিগুলি জল দিয়ে ভাল করে পরিষ্কার করে দুই- তিন ঘণ্টা সূর্যের মধ্যে রাখা হয় টানা 4-5 দিন এরপর ভাল করে ধোওয়া হয় নোংরা বা গায়ে লেগে থাকা ধূলো মাটি পরিষ্কার করা হয়। সমস্ত জল ঝড়িয়ে ফেলে একটি পাত্রে রাখা হয়।ইহা এই রকম ভাবে রাখা হয় যাতে ইহা একেবারে পিষে যায়।এবং যে পাত্রটি ব্যবহার করা হয় তাহা বায়ুনিরুদ্ধ হতে হবে।ইহা সূর্য রশ্মির মধ্যে রাখা হয় 8 থেকে 10 দিন।এরপর ইহা তৈরী হয়ে যায়।আমি বললাম তুমি কবে করলে এত্তসব মামী বললেন ঐ তোর ভাইরা স্কুলে গেলে বাকী সময়টা বসে এই সব বানাই।আমি বললাম বাঃ তাহলে শুকনো গুন্ডরুক তুমি বানিয়ে টেস্ট করেছো মামী জানালেন যে হ্যারে।আমরা ছোট বেলায় লুকিয়ে লুকিয়ে শুধু শুধুই খেয়ে নিতাম।একটু টকটক খেতে হতো তো।খুব ভাল লাগত।
গুন্ডরুক
একটা কাজের সূত্রেই সেদিন সেজ মামীর বাড়ি যাওয়া। গিয়ে একদিকে আমার ভালোই হলো উপরি পাওনা হিসাবে গরম কালের উপযোগী একটি নতুন আচারের সন্ধান পেলাম।
কথাবার্তা বলতে বলতে মামী বললেন আসলি যখন তখন ঘরের তৈরী তোর ভাইদের প্রিয় আচার একবার টেস্ট করেযা।তা আচারের নাম শুনে সেই মূহূর্তে আমি না করতে পারলাম না।তা প্লেটে করে যখন সেই লোভনীয় পদটি আমার সামনে আনল তখন দেখলাম আমি যে সকল আচার এর পূর্বে টেস্ট করেছি।সেগুলির কোন গোত্রে এটি পড়েনা।মামীকে বাধ্য হয়ে বললাম এটা কী গো?তা মামী যখন এহার বৃতান্ত বলল তার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এটাই যে
ইহার নাম গুন্ডরুক।এই নামটি মনে হয় নেপালীদেরই দেওয়া।নেপালীদের এটি জনপ্রিয় পদ হলেও বাংলায় কিছু কিছু ঘরে এটি আজও বানান হয়। আমি হেসে বললাম যেমন তুমি বানাও।মামী মুচকি হেসে বলল সাধারনত ইহা যে কোন পাতা বা শাক দিয়েই গুন্ডরুক বানান যায়।মামী যদিও সর্ষে শাক দিয়ে সেদিন বানিয়েছিল তবে এটি বাঁধাকপি,মূলোশাক দিয়েও বানান হয়।
শাক সবজিগুলি জল দিয়ে ভাল করে পরিষ্কার করে দুই- তিন ঘণ্টা সূর্যের মধ্যে রাখা হয় টানা 4-5 দিন এরপর ভাল করে ধোওয়া হয় নোংরা বা গায়ে লেগে থাকা ধূলো মাটি পরিষ্কার করা হয়। সমস্ত জল ঝড়িয়ে ফেলে একটি পাত্রে রাখা হয়।ইহা এই রকম ভাবে রাখা হয় যাতে ইহা একেবারে পিষে যায়।এবং যে পাত্রটি ব্যবহার করা হয় তাহা বায়ুনিরুদ্ধ হতে হবে।ইহা সূর্য রশ্মির মধ্যে রাখা হয় 8 থেকে 10 দিন।এরপর ইহা তৈরী হয়ে যায়।আমি বললাম তুমি কবে করলে এত্তসব মামী বললেন ঐ তোর ভাইরা স্কুলে গেলে বাকী সময়টা বসে এই সব বানাই।আমি বললাম বাঃ তাহলে শুকনো গুন্ডরুক তুমি বানিয়ে টেস্ট করেছো মামী জানালেন যে হ্যারে।আমরা ছোট বেলায় লুকিয়ে লুকিয়ে শুধু শুধুই খেয়ে নিতাম।একটু টকটক খেতে হতো তো।খুব ভাল লাগত।
রান্নার নির্দেশ
- 1
একটা পাত্রে জল গরম করলাম।ঐ গরম জলে গুন্ডরুক দিয়ে দিলাম।কিছুক্ষন ভেজানোর সময় দিলাম।
- 2
একটা তাওয়ায় বাদামতেল নিয়ে সোয়াবিন ভাজলাম হাল্কা করে ৩-৪ মিনিট।তারপর টমেটো তাওয়ায় নিয়ে পোড়ালাম।এরপর টমেটো কে ভাল করে পিষে রস বার করলাম।ভেজানো গুন্ডরুক নিয়ে জল ঝড়িয়ে অল্প করে কাটতে হবে।তারপর শুকিয়ে ২ চামচ নুন,লঙ্কা গুড়ো,½ টেবিল চামচ কাচা লঙ্কা, পিঁয়াজ,ধনেপাতা,রসুন,আদা,লেবুর রস দিলাম ও টমেটো পেস্ট টা দিলাম।এর মধ্যে ১ চামচ হলুদ দিলাম
- 3
একটা পাত্রে সর্ষে তেল নিয়ে 1 চামচ মেথি দিলাম।এরপর এই সব মেশানো পাত্রটিতে সর্ষে মেথি মিশিয়ে দিলাম।ভালকরে মিশিয়ে আচার তৈরী করলাম
Similar Recipes
More Recipes



মন্তব্যগুলি