ভুরি ভূণা।

আমার বাবা খুব খাদ্য রসিক মানুষ ছিলেন।তার কিছু খুব পছন্দের খাবার ছিলো।আম্মু রান্না করলে,পাপা কি তৃপ্তি নিয়ে খেতো,আমি তাকিয়ে দেখতাম।পাপার প্রিয় খাবারগুলো আমি যখন রান্না করি,অশ্রুসিক্ত হয়ে যাই বার বার।খুব মনে পড়ে পাপার কথা।আজকেও বট/ভুরি ভূণা করতে গিয়ে খুব মনে পড়লো পাপাকে।খুব আফসোস হয়,আমি আমার হাতের ভুরি ভূণা খাওয়াতে পারিনি পাপাকে।আমি যে আগে রান্না করতে পারতাম না,বিয়ের পর কতোকিছু রান্না শিখেছি,কিন্তু প্রিয় মানুষটাই যে পৃথিবীতে নেই।
ভুরি ভূণা।
আমার বাবা খুব খাদ্য রসিক মানুষ ছিলেন।তার কিছু খুব পছন্দের খাবার ছিলো।আম্মু রান্না করলে,পাপা কি তৃপ্তি নিয়ে খেতো,আমি তাকিয়ে দেখতাম।পাপার প্রিয় খাবারগুলো আমি যখন রান্না করি,অশ্রুসিক্ত হয়ে যাই বার বার।খুব মনে পড়ে পাপার কথা।আজকেও বট/ভুরি ভূণা করতে গিয়ে খুব মনে পড়লো পাপাকে।খুব আফসোস হয়,আমি আমার হাতের ভুরি ভূণা খাওয়াতে পারিনি পাপাকে।আমি যে আগে রান্না করতে পারতাম না,বিয়ের পর কতোকিছু রান্না শিখেছি,কিন্তু প্রিয় মানুষটাই যে পৃথিবীতে নেই।
রান্নার নির্দেশ
- 1
প্রথমে ভুরি পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে।এরপর আধা চা চামচ হলুদগুড়া, পরিমাণ মতো লবণ ও ২ টি তেজপাতা দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে।
- 2
এরপর রান্নার কড়াই বা ননস্টিক হাড়িতে মশলা কষিয়ে নিতে হবে।বট/ভুরি ভূণা করতে গেলে প্রায় নিচে পুরে যায়।তাই এই রান্নার জন্যে কড়াই বা ননস্টিক হাড়ি সুবিধাজনক।
- 3
হাড়িতে প্রথমে তেল দিয়ে তেজপাতা, এলাচ,দারুচিনি, লবঙ্গ ভেজে নিতে হবে।এরপর পেয়াজবাটা দিয়ে ভালো করে ভাজতে হবে।পেয়জবাটা ভেজে তেল উঠে আসলে এতে আদাবাটা ও রসুনবাটা দিয়ে একটু কষিয়ে নিতে হবে।এরপর গরম মশলাগুড়া, ধনেগুড়া, জিরাবাটা,জয়ফল ও যত্রি বাটা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে মশলা কষিয়ে নিতে হবে।
- 4
এরপর এতে সিদ্ধ করা ভুরি দিয়ে কষাতে হবে প্রায় ৩০ মিনিট।মিডিয়াম আঁচে,মাঝে মাঝে নেড়ে রান্না করতে হবে।এরপর কাচামরিচ গুলো দিয়ে দিতে হবে।
- 5
ভুরি কষে ভূণা ভূণা হয়ে আসলে উপরে ভাজা জিরার গুড়া ছড়িয়ে নামিয়ে নিতে হবে।
গরম গরম উপভোগ করুন ভাত কিমবা রুটির সঙ্গে।
Similar Recipes
More Recipes








মন্তব্যগুলি (2)