মিষ্টিমুড়িজীবনের সুখ গল্পে, আমার গল্প ❤️❤️❤️

আমরা তিন ভাই তিন বোন, আমরা বোনেরা বড় ভাইরা ছোট, স্মৃতি বড় মধুময় রিদয়ের মধ্যে গেথে আছে লিখে শেষ করা যাবে না।
আমার বাবা পুলিশ সুপার ছিলেন।
এই সুবাদে নানা জিলায় আমাদের থাকা হতো
নতুন নতুন জায়গায় নতুন,নতুন মানুষের সাথে পরিচয়,বিভিন্ন জিলার স্কুলে পড়াশুনা করা বেশ ভালোই ছিল দিনগুলি।❤️
আমাদের হোম ডিসট্রিক্ট বৃহত্তর
নোয়াখালীর লক্ষীপুর জেলায়,আমার জেলায় নারিকেল, সুপারি বাগান, এটা নোয়াখালীর জেলার ঐতিহ্য, আমার বাবা মিষ্টিমুড়ি,পিঠা খুবই লাইক করতেন, সকালের নাশতায় বা বিকেলের চা এর সাথে মিষ্টিমুড়ি খেতাম, বাবা নিজে নারকেল কুড়িয়ে মাখিয়ে দিতেন আমাদের।
খুব মনে পড়ে দাদুর বাড়িতে আমরা সবাই বেড়াতে গিয়েছিলাম, একদিন সকালে মুষুল দাঁড়ে বৃষ্টি হচ্ছিল, দাদুর রান্নাঘর ছিল বাহিরে
সেই কারনে উনুন জালাতে পারেনি, আমরা না খেয়ে আছি,আমার বাবা অস্থিরতা করছিল ঠিক সেই সময় মাথায় করে ফেরি ওয়ালা মিষ্টিমুড়ি নিয়ে যাচ্ছিল পলিথিন দিয়ে ঢেকে, আমার বাবা ফেরিওয়ালা কে ডেকে এনে মিষ্টিমুড়ি নিয়ে নিজ হাতে নারকেল কুড়িয়ে মাখিয়ে আমাদেরকে নাস্তা দিলেন।
সব ভাই বোন বাবা, মা মিলে একসাথে খেলাম যেন অমৃত কিছু খেলাম।
আমার বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন অনেক বছর হয়ে গেল, তার আদর মাখা ডাক, আদর করে খাওয়ানো, গোসল করিয়ে দিতো ছেলে বেলায়, আজ সব কিছুই স্মৃতি পাতাহয়ে রয়ে গেল,আমার মা বেঁচে আছেন আলহামদুলিল্লাহ। 💞
বাবা তোমােকে বড্ড ভালবাসি, তোমার স্মৃতি বুকে নিয়ে বেঁচে আছি মহান আল্লাহ তালা তোমাকে জান্নাত বাসি করুন আমিন। ❤️
আজ আমার সেই সৃতি মাখা আমার বাবা,মার প্রিয় রেসেপি শেয়ার করলাম সবাইর সাথে নারকেল কোরা দিয়ে মিষ্টি মুড়ি।❤️❤️❤️❤️
মিষ্টিমুড়িজীবনের সুখ গল্পে, আমার গল্প ❤️❤️❤️
আমরা তিন ভাই তিন বোন, আমরা বোনেরা বড় ভাইরা ছোট, স্মৃতি বড় মধুময় রিদয়ের মধ্যে গেথে আছে লিখে শেষ করা যাবে না।
আমার বাবা পুলিশ সুপার ছিলেন।
এই সুবাদে নানা জিলায় আমাদের থাকা হতো
নতুন নতুন জায়গায় নতুন,নতুন মানুষের সাথে পরিচয়,বিভিন্ন জিলার স্কুলে পড়াশুনা করা বেশ ভালোই ছিল দিনগুলি।❤️
আমাদের হোম ডিসট্রিক্ট বৃহত্তর
নোয়াখালীর লক্ষীপুর জেলায়,আমার জেলায় নারিকেল, সুপারি বাগান, এটা নোয়াখালীর জেলার ঐতিহ্য, আমার বাবা মিষ্টিমুড়ি,পিঠা খুবই লাইক করতেন, সকালের নাশতায় বা বিকেলের চা এর সাথে মিষ্টিমুড়ি খেতাম, বাবা নিজে নারকেল কুড়িয়ে মাখিয়ে দিতেন আমাদের।
খুব মনে পড়ে দাদুর বাড়িতে আমরা সবাই বেড়াতে গিয়েছিলাম, একদিন সকালে মুষুল দাঁড়ে বৃষ্টি হচ্ছিল, দাদুর রান্নাঘর ছিল বাহিরে
সেই কারনে উনুন জালাতে পারেনি, আমরা না খেয়ে আছি,আমার বাবা অস্থিরতা করছিল ঠিক সেই সময় মাথায় করে ফেরি ওয়ালা মিষ্টিমুড়ি নিয়ে যাচ্ছিল পলিথিন দিয়ে ঢেকে, আমার বাবা ফেরিওয়ালা কে ডেকে এনে মিষ্টিমুড়ি নিয়ে নিজ হাতে নারকেল কুড়িয়ে মাখিয়ে আমাদেরকে নাস্তা দিলেন।
সব ভাই বোন বাবা, মা মিলে একসাথে খেলাম যেন অমৃত কিছু খেলাম।
আমার বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন অনেক বছর হয়ে গেল, তার আদর মাখা ডাক, আদর করে খাওয়ানো, গোসল করিয়ে দিতো ছেলে বেলায়, আজ সব কিছুই স্মৃতি পাতাহয়ে রয়ে গেল,আমার মা বেঁচে আছেন আলহামদুলিল্লাহ। 💞
বাবা তোমােকে বড্ড ভালবাসি, তোমার স্মৃতি বুকে নিয়ে বেঁচে আছি মহান আল্লাহ তালা তোমাকে জান্নাত বাসি করুন আমিন। ❤️
আজ আমার সেই সৃতি মাখা আমার বাবা,মার প্রিয় রেসেপি শেয়ার করলাম সবাইর সাথে নারকেল কোরা দিয়ে মিষ্টি মুড়ি।❤️❤️❤️❤️
রান্নার নির্দেশ
- 1
প্রথমে মুড়ি টাভালো ভাবে চেলে নিয়ে, চুলায় একটি পেন বসিয়ে মুড়িটা লো আঁচে হাল্কা ভেজে নিব।
- 2
এখন অন্য একটি পেন বসিয়ে ১ চা চামচ ঘি দিব তারপর মিঠাইটা ভেঙে ঢেলে দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকবো যাতে তলায় না লাগে। পানি দিব না।
- 3
যখন আঠালো হয়ে আসবে হাতে নিয়ে দেখবো যদি তারের মতো হয়, তখন অল্প অল্প করে মুড়ি দিয়ে পাকিয়ে নিব। তারপর একটি সার্ভিং ডিশে নিয়ে উপরে নারকেল কোরা দিয়ে মিষ্টি মুড়ি পরিবেশেন করবো।
Similar Recipes
More Recipes












মন্তব্যগুলি (4)